চোখের গভীরে কতটুকু জল রেখেছ
মন গভীরে জমানো ক্রোধের মত কি অনন্ত?
কতটুকু অভিশাপ লুকিয়ে রেখেছ গহীনে,
যতটুকু অভিমান লুকিয়েছ চোখের কোণে?
কতটুকু ব্যথা ছুঁয়েছিল তোমার হৃদয়
যতটা প্রশ্নের মেঘ তোমার কপালের ভাঁজে?
তোমার একাকীত্ব কতটুকু বাড়াল?
_সময়ের এই বিস্তীর্ণ পথ।।
গন্তব্য বিহীন পথের শপথ_
ততটা চিহ্ন এঁকে দিয়েছে জীবনের এপার-ওপার
যতটা পথের ধুলো তোমাকে ছুঁতে পারেনি।
ততটা আর্তনাদের মেঘ এই চোখে ভর করেছে
যতটুকু আকাশ তোমার এখনো দেখার বাকী।
দূরত্বের সূচনালগ্ন ততটা বর্বর,বীভৎস,উৎকট
আলোহীন জোনাকির শূন্যতার মিছিলের মত।
তোমাকে ফেলে আসা পথ কতটা বেঁধে রেখেছে
_কি করে বুঝাই?
মন গভীরে জমানো ক্রোধের মত কি অনন্ত?
কতটুকু অভিশাপ লুকিয়ে রেখেছ গহীনে,
যতটুকু অভিমান লুকিয়েছ চোখের কোণে?
কতটুকু ব্যথা ছুঁয়েছিল তোমার হৃদয়
যতটা প্রশ্নের মেঘ তোমার কপালের ভাঁজে?
তোমার একাকীত্ব কতটুকু বাড়াল?
_সময়ের এই বিস্তীর্ণ পথ।।
গন্তব্য বিহীন পথের শপথ_
ততটা চিহ্ন এঁকে দিয়েছে জীবনের এপার-ওপার
যতটা পথের ধুলো তোমাকে ছুঁতে পারেনি।
ততটা আর্তনাদের মেঘ এই চোখে ভর করেছে
যতটুকু আকাশ তোমার এখনো দেখার বাকী।
দূরত্বের সূচনালগ্ন ততটা বর্বর,বীভৎস,উৎকট
আলোহীন জোনাকির শূন্যতার মিছিলের মত।
তোমাকে ফেলে আসা পথ কতটা বেঁধে রেখেছে
_কি করে বুঝাই?
https://youtu.be/-teiJtYJUDw
বড় অবেলায় এসেছো তুমি,
শেষ বিকেলের গোধূলি আকাশ,
আরেকটু পর ঘন অমাবস্যার আহ্বান,
ভাঁটার টানে যেন সবকিছুই চলে যায় ধীরে ধীরে,
মানুষ নামের এক জীবন্ত আত্মা আর মৃত একটি দেহ ।।
-
বড় ইচ্ছে করছে একটু দেখতে স্নিগ্ধ সকালের মত পবিত্র মুখখানি,
হরিণী ডাগর চোখে চোখ রাখতে,
এখন তো আমার চোখে রাত্রির বাস,সকাল নেই ।
-
কতদিন হলো ছুঁয়ে দেখিনি গোলাপের পাপড়ির আস্তরণের ঠোঁট দুটো,
হাতে হাত রাখিনি যেন একশো বছর,
এই হাত শক্তি গুলো ইস্তফা দিয়েছে ক'টা দিন আগে।
-
কত ভালো নাচতে তুমি,টিনের চালে পড়া ঝুম ঝুম ঝুম বৃষ্টির ছন্দের মতো,
ঝর্ণার জলরাশির মতো ছল ছল হাসি,
আমাকে নাকি নিয়মের পৃথিবী শুনে,দেয় না শুনতে।
-
তোমার চুলের মৃদু গন্ধে টোকা দিতো আমার ইন্দ্রিয় জগতে সব দরজায়,
আর খোঁপা খুললেই রাত্রি নামতো,
আজ শুকনো কাঠের মত অনুভূতিহীন সবি বেমালুম।
-
সময়ের ব্যবধানে কান্না মুছে গেছে, ভুলতে না পারা সেতো হৃদয়ের শুভ্র শিল্প,
অপেক্ষা প্রহর গুনে গুনে ত্রিশ বছর,
হৃদয়ের প্রতি দেয়ালে লিখে রেখেছি অজস্র চিরকুট।
-
তোমার গড়া ব্যবধানের যত্ন করছে আজ স্বয়ং বিধাতা,
এক জীবনে তুমি আমার নয়, আমিও নই তোমার,
জানি পর-জীবনেও সঙ্গী নও স্বর্গে -নরকে;
একটু দেখার জন্য, বৈকি ভালবাসতে,
ক'টা দিন আগে আসলে পারতে ।
🕳🕳🕳মাসুদ পারভেজ
বড় অবেলায় এসেছো তুমি,
শেষ বিকেলের গোধূলি আকাশ,
আরেকটু পর ঘন অমাবস্যার আহ্বান,
ভাঁটার টানে যেন সবকিছুই চলে যায় ধীরে ধীরে,
মানুষ নামের এক জীবন্ত আত্মা আর মৃত একটি দেহ ।।
-
বড় ইচ্ছে করছে একটু দেখতে স্নিগ্ধ সকালের মত পবিত্র মুখখানি,
হরিণী ডাগর চোখে চোখ রাখতে,
এখন তো আমার চোখে রাত্রির বাস,সকাল নেই ।
-
কতদিন হলো ছুঁয়ে দেখিনি গোলাপের পাপড়ির আস্তরণের ঠোঁট দুটো,
হাতে হাত রাখিনি যেন একশো বছর,
এই হাত শক্তি গুলো ইস্তফা দিয়েছে ক'টা দিন আগে।
-
কত ভালো নাচতে তুমি,টিনের চালে পড়া ঝুম ঝুম ঝুম বৃষ্টির ছন্দের মতো,
ঝর্ণার জলরাশির মতো ছল ছল হাসি,
আমাকে নাকি নিয়মের পৃথিবী শুনে,দেয় না শুনতে।
-
তোমার চুলের মৃদু গন্ধে টোকা দিতো আমার ইন্দ্রিয় জগতে সব দরজায়,
আর খোঁপা খুললেই রাত্রি নামতো,
আজ শুকনো কাঠের মত অনুভূতিহীন সবি বেমালুম।
-
সময়ের ব্যবধানে কান্না মুছে গেছে, ভুলতে না পারা সেতো হৃদয়ের শুভ্র শিল্প,
অপেক্ষা প্রহর গুনে গুনে ত্রিশ বছর,
হৃদয়ের প্রতি দেয়ালে লিখে রেখেছি অজস্র চিরকুট।
-
তোমার গড়া ব্যবধানের যত্ন করছে আজ স্বয়ং বিধাতা,
এক জীবনে তুমি আমার নয়, আমিও নই তোমার,
জানি পর-জীবনেও সঙ্গী নও স্বর্গে -নরকে;
একটু দেখার জন্য, বৈকি ভালবাসতে,
ক'টা দিন আগে আসলে পারতে ।
🕳🕳🕳মাসুদ পারভেজ
সদ্য ভূমিষ্ঠ পুত্র সন্তান,
জননী দেখতে পেল কোলে তার রক্তাক্ত জ্যান্ত সন্তানের লাশ।
যার আগমনে শতবর্ষের কৃষ্ণপক্ষ রাতে এক পশলা জোছনার কথা ছিল,
অনন্ত নীরবতার মাঝে হৃদয় স্পন্দন করা সুমধুর সুর তোলার কথা ছিল;
কথা ছিল-
বাতাসে বাতাসে আনন্দের নাচন,
গাছের ডালে ডালে পাখির কূজন ।
অথচ জননী দেখছে কোলে তার কাঁদছে একটি অনাগত আগামী।
আজকের এই নবজাতক, শিশু থেকে কিশোর,
কিশোর থেকেই যুবক।
হয়তো সে পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণের মত
মহাসত্যের উপর ভর করে
শাসকের শোষণ,
মিথ্যা কলুষিত জরাজীর্ণ রীতির বিরুদ্ধে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়াতেই বরণ করতে হবে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ধারালো ছুরি-বুলেটের নির্মমতা।
জননী এত রক্ত রাখবে কোন আঁচলে?
নতুবা সে সময়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে,
পুরানো সভ্যতার খঞ্জর হাতে সত্য ও সুন্দর বিনাশের হোলি খেলায় মেতে উঠবে,
জননীর মতো লম্বা চুলের কোন নারীর সম্ভ্রমহানি করে হাতে-বুকে রক্তের দাগ, রক্তের গন্ধে পোক্ত করবে অসভ্যতার উত্তরাধিকার।
জননী এই রক্ত মুছবে কোন আঁচলে?
হে মানচিত্র,
তোমার পতাকা থেকে রক্ত মুছে ফেল,,
রক্তের দাগহীন একটি সন্তান দাও ।
---------মাসুদ পারভেজ


