কবিতাঃ রক্তের দাগ
সদ্য ভূমিষ্ঠ পুত্র সন্তান,
জননী দেখতে পেল কোলে তার রক্তাক্ত জ্যান্ত সন্তানের লাশ।
যার আগমনে শতবর্ষের কৃষ্ণপক্ষ রাতে এক পশলা জোছনার কথা ছিল,
অনন্ত নীরবতার মাঝে হৃদয় স্পন্দন করা সুমধুর সুর তোলার কথা ছিল;
কথা ছিল-
বাতাসে বাতাসে আনন্দের নাচন,
গাছের ডালে ডালে পাখির কূজন ।
অথচ জননী দেখছে কোলে তার কাঁদছে একটি অনাগত আগামী।
আজকের এই নবজাতক, শিশু থেকে কিশোর,
কিশোর থেকেই যুবক।
হয়তো সে পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণের মত
মহাসত্যের উপর ভর করে
শাসকের শোষণ,
মিথ্যা কলুষিত জরাজীর্ণ রীতির বিরুদ্ধে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়াতেই বরণ করতে হবে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ধারালো ছুরি-বুলেটের নির্মমতা।
জননী এত রক্ত রাখবে কোন আঁচলে?
নতুবা সে সময়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে,
পুরানো সভ্যতার খঞ্জর হাতে সত্য ও সুন্দর বিনাশের হোলি খেলায় মেতে উঠবে,
জননীর মতো লম্বা চুলের কোন নারীর সম্ভ্রমহানি করে হাতে-বুকে রক্তের দাগ, রক্তের গন্ধে পোক্ত করবে অসভ্যতার উত্তরাধিকার।
জননী এই রক্ত মুছবে কোন আঁচলে?
হে মানচিত্র,
তোমার পতাকা থেকে রক্ত মুছে ফেল,,
রক্তের দাগহীন একটি সন্তান দাও ।
---------মাসুদ পারভেজ



1 comments
আহ!
ReplyDelete